০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় নাকাল কুড়িগ্রাম - NewsLiveBD.com
তাপমাত্রা নামলো ১২ ডিগ্রিতে

ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় নাকাল কুড়িগ্রাম

ভোরের কুড়িগ্রাম

হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়েছে উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে। বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় নাকাল পুরো জেলা। অনুভূত হচ্ছে শৈত্যপ্রবাহের মতো।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকাল হলেও ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দৃশ্যমানতা ব্যাপকভাবে কমে যায়। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে। এতে পরিবহন ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে শ্লথতা।

তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে-খাওয়া ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ। ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে ঘর থেকে বের হলেও কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে কাজের সুযোগ কমে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, “কুয়াশা আর ঠান্ডায় বাড়ি থাইকাও বের হওয়া যায় না। কিন্তু কাজ না করলে খাওয়া চালাব কীভাবে?”

শহরের মামুন নামে এক অটোচালক বলেন, “ঠান্ডা সহ্য করি বের হইছি, কিন্তু কাজ নাই। লোকজন বাইরে বের না হলে আমরা আয় করব কীভাবে? সংসার চলবে কেমনে—চিন্তায় আছি।”

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, “সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

জেলায় এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্রের সংকটও দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজ লাইভ/০৪ডিসেম্বর/পিএস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

তাপমাত্রা নামলো ১২ ডিগ্রিতে

ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় নাকাল কুড়িগ্রাম

আপডেট: ১২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়েছে উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে। বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় নাকাল পুরো জেলা। অনুভূত হচ্ছে শৈত্যপ্রবাহের মতো।
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সকাল হলেও ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে দৃশ্যমানতা ব্যাপকভাবে কমে যায়। ফলে দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে। এতে পরিবহন ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে শ্লথতা।

তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে-খাওয়া ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ। ঠান্ডা উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে ঘর থেকে বের হলেও কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে কাজের সুযোগ কমে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, “কুয়াশা আর ঠান্ডায় বাড়ি থাইকাও বের হওয়া যায় না। কিন্তু কাজ না করলে খাওয়া চালাব কীভাবে?”

শহরের মামুন নামে এক অটোচালক বলেন, “ঠান্ডা সহ্য করি বের হইছি, কিন্তু কাজ নাই। লোকজন বাইরে বের না হলে আমরা আয় করব কীভাবে? সংসার চলবে কেমনে—চিন্তায় আছি।”

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, “সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”

জেলায় এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্রের সংকটও দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

নিউজ লাইভ/০৪ডিসেম্বর/পিএস