০২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এ জয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় সাফল্যের একটি : শান্ত - NewsLiveBD.com

এ জয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় সাফল্যের একটি : শান্ত

ছবি সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়। আর এই জয় দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় সাফল্যের একটি হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্স ও বাংলাদেশের পেসারদের মানসিকতার পরিবর্তনকেও টেস্টে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন শান্ত।

ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত—নিজের জন্যও, আর ছেলেরা যেভাবে খেলেছে তার জন্যও। আমরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি।’ শান্তর মতে, শুধু স্পিন নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে পেসারদের টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার মানসিকতাই বাংলাদেশের ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনেছে।

তার কথা, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইত না। কিন্তু আমরা এখন অনেক বেশি টেস্ট ক্রিকেট খেলছি এবং তারা টেস্ট ফরম্যাটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা খেলতে চায়, পারফর্ম করতে চায়, বিশ্বমানের হতে চায়। এখন তাদের মানসিকতাই এমন।’

বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেটারদেরও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন শান্ত, ‘মুশফিকুর ও মুমিনুলের মতো সিনিয়র খেলোয়াড়রা তাদের আরও বেশি টেস্ট ক্রিকেট খেলার জন্য উৎসাহিত করেছে।’ তানজিদ হাসানের ব্যাটিংয়ের ধরনেও পরিবর্তন দেখেছেন অধিনায়ক, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে সে আক্রমণাত্মক খেলেছে। কিন্তু এই টেস্টে সে শান্ত ছিল এবং বলের মেরিট অনুযায়ী শট খেলেছে। একজন টপ-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে আমরা চাই সে যেন ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে, আর সে সেটা করে দেখিয়েছে।’

পরে এই জয়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে শান্ত বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেকোনো ফরম্যাটে এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। সামনে এগিয়ে আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

এ জয় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় সাফল্যের একটি : শান্ত

আপডেট: ০৪:৪৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়। আর এই জয় দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বড় সাফল্যের একটি হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্স ও বাংলাদেশের পেসারদের মানসিকতার পরিবর্তনকেও টেস্টে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন শান্ত।

ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত—নিজের জন্যও, আর ছেলেরা যেভাবে খেলেছে তার জন্যও। আমরা অনেক কঠোর পরিশ্রম করেছি।’ শান্তর মতে, শুধু স্পিন নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে পেসারদের টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার মানসিকতাই বাংলাদেশের ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনেছে।

তার কথা, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। পাঁচ বছর আগেও পেসাররা টেস্ট খেলতে চাইত না। কিন্তু আমরা এখন অনেক বেশি টেস্ট ক্রিকেট খেলছি এবং তারা টেস্ট ফরম্যাটকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারা খেলতে চায়, পারফর্ম করতে চায়, বিশ্বমানের হতে চায়। এখন তাদের মানসিকতাই এমন।’

বাংলাদেশের সিনিয়র ক্রিকেটারদেরও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন শান্ত, ‘মুশফিকুর ও মুমিনুলের মতো সিনিয়র খেলোয়াড়রা তাদের আরও বেশি টেস্ট ক্রিকেট খেলার জন্য উৎসাহিত করেছে।’ তানজিদ হাসানের ব্যাটিংয়ের ধরনেও পরিবর্তন দেখেছেন অধিনায়ক, ‘সাদা বলের ক্রিকেটে সে আক্রমণাত্মক খেলেছে। কিন্তু এই টেস্টে সে শান্ত ছিল এবং বলের মেরিট অনুযায়ী শট খেলেছে। একজন টপ-অর্ডার ব্যাটার হিসেবে আমরা চাই সে যেন ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে, আর সে সেটা করে দেখিয়েছে।’

পরে এই জয়ের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে শান্ত বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যেকোনো ফরম্যাটে এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। সামনে এগিয়ে আমরা ভবিষ্যতে আরও বিশেষ কিছু করতে চাই।’