আসন্ন বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জমে উঠেছে সরব আলোচনা। সরকার দল বিএনপি থেকে কে হচ্ছেন প্রথম শ্রেণির এই পৌরসভার পরবর্তী কাণ্ডারি। এই আলোচনায় এখন মুখরিত পুরো পৌর এলাকা।
সরেজমিন ঘুরে স্থানীয়দের মুখে মুখে অনেকজনের নাম শোনা গেছে। এদেরে মধ্যে বেলায়েত হোসেন স্বপন, সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন চৌধুরী ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মতিন লিটনের নাম উল্লেখযোগ্য।
তবে সম্ভাব্য এই নাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে জেলা বিএনপির সদস্য বেলায়েত হোসেন স্বপনের নাম। সাবেক তুখোড় ছাত্র নেতা, দানবীর সজ্জন, সমাজ হিতৈষী, স্বচ্ছ রাজনীতিক ও জনবান্ধব ব্যক্তিত্ব হিসেবে ইতোমধ্যেই তিনি এলাকায় আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকা বেলায়েত হোসেন স্বপন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে সবার নজরে আসেন। মাঠপর্যায়ে দিন-রাত পরিশ্রম, কর্মী-সমর্থকদের সুসংগঠিত রাখা এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তার ভূমিকার কারণে লাইমলাইটে চলে আসেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি অর্জনকারী এ রাজনীতিক শিক্ষিত ও দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছেন। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর প্রশাসনিক বোধ, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বসুরহাট পৌরসভার জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনতে সক্ষম হবে।
বসুরহাট পৌরসভার সাবেক কমিশনার আহছান উল্যাহ শিপন বলেন, “বেলায়েত হোসেন স্বপন একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার। মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন বলেন, “স্বপন ভাই সবসময় দলের দুঃসময়ে পাশে থেকেছেন। তিনি কর্মীবান্ধব এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট বোঝেন। বসুরহাট পৌরসভার উন্নয়ন ও স্বচ্ছ প্রশাসন নিশ্চিত করতে তাঁর বিকল্প নেই।”
পৌর বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনের ভাষ্য, “বসুরহাটে মাদক, দুর্নীতি ও অনিয়ম এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বেলায়েত হোসেন স্বপন মেয়র হলে এসবের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেবেন। আমরা একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশাসিত পৌরসভা প্রত্যাশা করি।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও জনসম্পৃক্ত রাজনীতির কারণে বেলায়েত হোসেন স্বপন মেয়র নির্বাচিত হলে বসুরহাট পৌরসভায় আমূল পরিবর্তন আসবে। দুর্নীতি বন্ধ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সহজীকরণ এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য ও উন্নত পৌরসভা গড়ে তুলবেন।
সব মিলিয়ে, উদার মানসিকতা ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বেলায়েত হোসেন স্বপন এখন বসুরহাট পৌর নির্বাচনে স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে সময়ই বলে দেবে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন দল কীভাবে মূল্যায়ন করে।
নিউজ লাইভ/২২ফেব্রুয়ারি/পিএস
প্রশান্ত সুভাষ চন্দ 






















