১১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শনে চসিক  - NewsLiveBD.com

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শনে চসিক 

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শন করছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, শহরকে ভালোবাসতে হবে। যতক্ষণ না আমরা নিজের দায়িত্ববোধ থেকে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগ নেব, ততক্ষণ জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মেয়র রাস্তায় নেমে কাজ করলে নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল সকালে এ কার্যক্রম পরিদর্শন গিয়ে এই মন্তব্য করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনিও বলেন, গত বছর আমরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পেরেছি, ইনশাল্লাহ। এ কাজে বিভিন্ন সেবা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে। এবারও একইভাবে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ চলছে।

মেয়র শাহাদাত বলেন, নগরীর অধিকাংশ নালা-খাল এখনো ময়লায় ভরে যাচ্ছে। মানুষকে সচেতন করার পরও অনেকে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলছেন। গত তিন দিন ধরে আমি নিজেই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখছি—নালার ভেতরে কী পরিমাণ ময়লা জমে আছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে নগরবাসীকেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

চসিক মেয়র বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ বাকলিয়া, পশ্চিম বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর ও মুহুরা-সহ নিচু এলাকাগুলোতে যাতে মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই, কেউ যেন পানিবন্দি না থাকে।

নালা-খালে ময়লা ফেলা এবং অবৈধভাবে দখল বা সংকুচিত করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, যারা নালা-খালে ময়লা ফেলবে বা অবৈধভাবে দখল করে ড্রেন সংকুচিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, চসিক ইতোমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ডাস্টবিন সরবরাহ করেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এসব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে বা যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শনে চসিক 

আপডেট: ০১:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, শহরকে ভালোবাসতে হবে। যতক্ষণ না আমরা নিজের দায়িত্ববোধ থেকে শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার উদ্যোগ নেব, ততক্ষণ জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মেয়র রাস্তায় নেমে কাজ করলে নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল সকালে এ কার্যক্রম পরিদর্শন গিয়ে এই মন্তব্য করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনিও বলেন, গত বছর আমরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পেরেছি, ইনশাল্লাহ। এ কাজে বিভিন্ন সেবা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করেছে। এবারও একইভাবে সম্মিলিত উদ্যোগে কাজ চলছে।

মেয়র শাহাদাত বলেন, নগরীর অধিকাংশ নালা-খাল এখনো ময়লায় ভরে যাচ্ছে। মানুষকে সচেতন করার পরও অনেকে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলছেন। গত তিন দিন ধরে আমি নিজেই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখছি—নালার ভেতরে কী পরিমাণ ময়লা জমে আছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে নগরবাসীকেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

চসিক মেয়র বলেন, আসন্ন বর্ষা মৌসুমে দক্ষিণ বাকলিয়া, পশ্চিম বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর ও মুহুরা-সহ নিচু এলাকাগুলোতে যাতে মানুষ জলাবদ্ধতার শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা চাই, কেউ যেন পানিবন্দি না থাকে।

নালা-খালে ময়লা ফেলা এবং অবৈধভাবে দখল বা সংকুচিত করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে মেয়র বলেন, যারা নালা-খালে ময়লা ফেলবে বা অবৈধভাবে দখল করে ড্রেন সংকুচিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই ড্রেনের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, চসিক ইতোমধ্যে প্রায় ৬ হাজার ডাস্টবিন সরবরাহ করেছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এসব ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাচ্ছে বা যথাযথভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।