০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফারইস্টের তথ্য হাতিয়ে নেয়া "সাবলাইনের" মালিক মামুন খালেদ আটক - NewsLiveBD.com

ফারইস্টের তথ্য হাতিয়ে নেয়া “সাবলাইনের” মালিক মামুন খালেদ আটক

ফারইস্টের তথ্য হাতিয়ে নেয়া "সাবলাইনের" মালিক মামুন খালেদ আটক

জালিয়াতি ও টাকার বিনিময়ে দেশের সর্ববৃহৎ বিমা কোম্পানি ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর অভ্যন্তরীন সকল তথ্য হাতিয়ে নেয়া সাবলাইন লিমিটেড এর মালিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক। তিনি বেক্সিমকো কর্তৃক মনোনীত ফারইস্টের তৎকালীন

 বোর্ডের স্বতন্ত্র পরিচালক ও কোম্পানির এনআরসি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

ফারইস্টের সাবেক এমডি ও আইডিআর এর বর্তমান সদস্য আপেল মাহমুদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ফারইস্টের অভ্যন্তরীন সকল তথ্য হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে সাবলাইন লিমিটেড এর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় আপেল মাহমুদসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। কোম্পানির আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন গত বছর ৪ আগষ্ট শাহবাগ থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ১৯, ২১ ও ২২ নং ধারায় মামলাটি করেন। মামলা নাম্বার-৯।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের ডিজিটাল ডিভাইসে প্রবেশ করে প্রতারণার মাধ্যমে তথ্যভান্ডার থেকে ৫৫ হাজার ৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব, মোবাইল নাম্বার, বেতন-ভাতা, কর্মচারির পরিচিতি নাম্বারসহ গোপনীয় তথ্য সাবলাইন নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করে।

এসব তথ্য সরবরাহ করায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারির জীবন ও সম্পদ হুমকীর মধ্যে রয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর আইটি বিভাগের সাবেক ইনচার্জ লোকমান ফারুক ও এসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ওসমান গণি।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গতকাল (২৬ মার্চ) বৃহস্পতিবার মামুন খালেদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম।

এর আগে গত বছরের মে মাসে শেখ মামুন খালেদ ও তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।

নিউজলাইভ/২৭ মার্চ/পিএস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

ফারইস্টের তথ্য হাতিয়ে নেয়া “সাবলাইনের” মালিক মামুন খালেদ আটক

আপডেট: ০১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

জালিয়াতি ও টাকার বিনিময়ে দেশের সর্ববৃহৎ বিমা কোম্পানি ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর অভ্যন্তরীন সকল তথ্য হাতিয়ে নেয়া সাবলাইন লিমিটেড এর মালিক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক। তিনি বেক্সিমকো কর্তৃক মনোনীত ফারইস্টের তৎকালীন

 বোর্ডের স্বতন্ত্র পরিচালক ও কোম্পানির এনআরসি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।

ফারইস্টের সাবেক এমডি ও আইডিআর এর বর্তমান সদস্য আপেল মাহমুদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ফারইস্টের অভ্যন্তরীন সকল তথ্য হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে সাবলাইন লিমিটেড এর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় আপেল মাহমুদসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। কোম্পানির আইন কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন গত বছর ৪ আগষ্ট শাহবাগ থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ১৯, ২১ ও ২২ নং ধারায় মামলাটি করেন। মামলা নাম্বার-৯।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ের ডিজিটাল ডিভাইসে প্রবেশ করে প্রতারণার মাধ্যমে তথ্যভান্ডার থেকে ৫৫ হাজার ৮৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাব, মোবাইল নাম্বার, বেতন-ভাতা, কর্মচারির পরিচিতি নাম্বারসহ গোপনীয় তথ্য সাবলাইন নামক একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করে।

এসব তথ্য সরবরাহ করায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারির জীবন ও সম্পদ হুমকীর মধ্যে রয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর আইটি বিভাগের সাবেক ইনচার্জ লোকমান ফারুক ও এসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ওসমান গণি।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ মার্চ) গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গতকাল (২৬ মার্চ) বৃহস্পতিবার মামুন খালেদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম।

এর আগে গত বছরের মে মাসে শেখ মামুন খালেদ ও তার স্ত্রী নিগার সুলতানা খালেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আবেদনে বলা হয়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে।

নিউজলাইভ/২৭ মার্চ/পিএস