নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট, সদর আংশিক) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মো. ফখরুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়াকে ঘিরে এলাকায় নতুন রাজনৈতিক জাগরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘসময় পর এই আসনের রাজনীতিতে একটি ‘গুণগত পরিবর্তন’ এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার(৮ জানুয়ারি) এই আসনের কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, ফখরুল ইসলাম দলীয় আদর্শে অবিচল, ত্যাগী ও সংগঠক হিসেবে পরিচিত। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের রাজনীতিতে পূর্ণ আস্থা রাখেন তিনি। আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটি ধাপে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আনুগত্য এবং নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল অবস্থান তাকে সাধারণ নেতাকর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই সেলিম বলেন, “ফখরুল ইসলামকে প্রার্থী করার মধ্য দিয়ে বিএনপি প্রমাণ করেছে, দল এখন যোগ্যতা, সততা ও ত্যাগের মূল্যায়ন করছে। তিনি দলের আদর্শে বিশ্বাসী একজন রাজনীতিক। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন ধারার যে বিএনপি গড়ে উঠছে, ফখরুল ইসলাম তার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।”
এ বিষয়ে বসুরহাট পৌর সভা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “এই আসনের মানুষ দীর্ঘদিন রাজনীতিতে হতাশ ছিল। ফখরুল ইসলামের মতো পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির একজন মানুষ প্রার্থী হওয়ায় সেই হতাশা কেটে গেছে। তার নেতৃত্বে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির রাজনীতি বন্ধ হবে, এমন বিশ্বাস এখন মানুষের মুখে মুখে।”
কবিরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু বলেন, “ফখরুল ইসলাম শুধু একজন প্রার্থী নন, তিনি একটি সম্ভাবনার নাম। তার নেতৃত্বে রাজনৈতিক হানাহানি ও দমন-পীড়নের রাজনীতি থামবে, গড়ে উঠবে অসাম্প্রদায়িক ও সহনশীল সমাজ। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেকারত্ব দূর করার যে স্বপ্ন বিএনপি দেখে, তা বাস্তবায়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।”
স্থানীয়দের মতে, ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে নোয়াখালী-৫ আসনে রাজনীতি হবে মানুষের অধিকার ও উন্নয়নকেন্দ্রিক। ভয়-ভীতির সংস্কৃতির বদলে ফিরে আসবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, আর রাজনীতি হবে সেবার হাতিয়ার, লুটপাটের নয়।
সব মিলিয়ে, নোয়াখালী-৫ আসনে ফখরুল ইসলামকে প্রার্থী দেওয়ায় বিএনপির রাজনীতিতে যেমন নতুন গতি এসেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মাঝেও জেগেছে পরিবর্তনের প্রত্যাশা। তারা স্বপ্ন দেখছেন একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ ব্যবস্থার।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী জানতে চাইলে মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, “অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা” মানুষের এই পাঁচটি মৌলিক অধিকার রক্ষায় কাজ করবো। একই সঙ্গে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন করাসহ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করে একটি অসাম্প্রদায়িক, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়বো।
নিউজ লাইভ/০৮জানুয়ারি/পিএস
প্রশান্ত সুভাষ চন্দ 












