০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী পেয়ে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি, প্রচারণায় সরব মাঠ - NewsLiveBD.com
নোয়াখালী-৫

কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী পেয়ে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি, প্রচারণায় সরব মাঠ

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট) আসনে দলীয়ভাবে কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দল মনোনীত প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয়তা বেড়েছে, সরব হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ।

গত কয়েক দিনে পুরো এলাকায় লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে বিএনপি–সমর্থকদের লক্ষণীয় উপস্থিতি দেখা গেছে। স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের দাবি, দীর্ঘদিন পর তারা “ঐক্যবদ্ধ বিএনপি” দেখছেন, যা প্রচারণার মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এদিকে এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি প্রচারণা দেখা যায়—ফখরুল ইসলামের সঙ্গে স্থানীয় যুবক, কলেজপড়ুয়া, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিচ্ছেন। বাজার-ঘাট, গ্রামাঞ্চল ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মসূচিতে মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে আশাবাদী প্রার্থী নিজেও।

প্রচারনায় অংশ নেওয়া একাধিক নেতাকর্মী জানান, সঠিক প্রার্থী বাছাই হওয়ায় কর্মীরা এখন বেশ আত্মবিশ্বাসী। তারা মনে করছেন, এবার মাঠে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে এবং জনগণ পরিবর্তনের দিকে তাকিয়ে আছে।

এলাকার বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দেয়া বক্তব্যে মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, “এই আসনকে উন্নয়ন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমি জনগণের পাশে দাঁড়াতে চাই। নোয়াখালীর মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এক হয়েছে—আমি সেই প্রত্যাশার ভার নিয়ে মাঠে নেমেছি।” আর আমাকে দলের এ গুরুদায়িত্ব দেয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত হলে জনগণের ভোটে নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মো. জহির উদ্দিন সেলিম বলেন, নোয়াখালী-৫ এ এবার ভোটারদের আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এলাকার নানা সমস্যার কারণে মানুষ পরিবর্তনমুখী।

জেলা বিএনপির সদস্য বেলায়েত হোসেন স্বপন বলেন, “দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলে আমাদের জন্য একটি ইতিবাচক ফলাফল অপেক্ষা করছে।”

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় সমস্যা—রাস্তাঘাট, চিকিৎসা সুবিধা ও কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রার্থীদের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ভোটাররা তাদের সিদ্ধান্ত নিতে চান।

তবে কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার পর বিএনপির স্থানীয় সাংগঠনিক কর্মকান্ডে গতি ফিরেছে অনুসন্ধানে একটি বেশ স্পষ্ট হয়েছে।

নিউজলাইভ/০৩ডিসেম্বর/পিএস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

নোয়াখালী-৫

কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী পেয়ে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি, প্রচারণায় সরব মাঠ

আপডেট: ০৭:৩৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট) আসনে দলীয়ভাবে কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দল মনোনীত প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামকে ঘিরে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয়তা বেড়েছে, সরব হয়ে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ।

গত কয়েক দিনে পুরো এলাকায় লিফলেট বিতরণ, গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকে বিএনপি–সমর্থকদের লক্ষণীয় উপস্থিতি দেখা গেছে। স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের দাবি, দীর্ঘদিন পর তারা “ঐক্যবদ্ধ বিএনপি” দেখছেন, যা প্রচারণার মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এদিকে এলাকার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনি প্রচারণা দেখা যায়—ফখরুল ইসলামের সঙ্গে স্থানীয় যুবক, কলেজপড়ুয়া, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোটাররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিচ্ছেন। বাজার-ঘাট, গ্রামাঞ্চল ও ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মসূচিতে মানুষের অংশগ্রহণ নিয়ে আশাবাদী প্রার্থী নিজেও।

প্রচারনায় অংশ নেওয়া একাধিক নেতাকর্মী জানান, সঠিক প্রার্থী বাছাই হওয়ায় কর্মীরা এখন বেশ আত্মবিশ্বাসী। তারা মনে করছেন, এবার মাঠে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে এবং জনগণ পরিবর্তনের দিকে তাকিয়ে আছে।

এলাকার বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দেয়া বক্তব্যে মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, “এই আসনকে উন্নয়ন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমি জনগণের পাশে দাঁড়াতে চাই। নোয়াখালীর মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে এক হয়েছে—আমি সেই প্রত্যাশার ভার নিয়ে মাঠে নেমেছি।” আর আমাকে দলের এ গুরুদায়িত্ব দেয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিশ্চিত হলে জনগণের ভোটে নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মো. জহির উদ্দিন সেলিম বলেন, নোয়াখালী-৫ এ এবার ভোটারদের আগ্রহ তুলনামূলক বেশি। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও এলাকার নানা সমস্যার কারণে মানুষ পরিবর্তনমুখী।

জেলা বিএনপির সদস্য বেলায়েত হোসেন স্বপন বলেন, “দল ঐক্যবদ্ধ থাকলে এবং জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলে আমাদের জন্য একটি ইতিবাচক ফলাফল অপেক্ষা করছে।”

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং স্থানীয় সমস্যা—রাস্তাঘাট, চিকিৎসা সুবিধা ও কর্মসংস্থান—এই বিষয়গুলোকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রার্থীদের ঘোষিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ভোটাররা তাদের সিদ্ধান্ত নিতে চান।

তবে কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী মনোনয়ন পাওয়ার পর বিএনপির স্থানীয় সাংগঠনিক কর্মকান্ডে গতি ফিরেছে অনুসন্ধানে একটি বেশ স্পষ্ট হয়েছে।

নিউজলাইভ/০৩ডিসেম্বর/পিএস